“আসপাস এবং আলবার্তো লিভারপুলে তাদের সেরাটাই দিতে পারবে” – জেরার্ড

জেরার্ডের বিশ্বাস লিভারপুল স্কোয়াডের নতুন দুই সংযোজন আলবার্তো এবং আসপাস দলকে আরো বেশি শক্তিশালী করেছে। সেভিলার মধ্যমাঠের খেলোয়াড় আলবার্তো (২০) লিভারপুলে ৬.৮ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে এবং তার আগে সেল্টা ভিগোর স্ট্রাইকার আসপাস (২৫) ৭.৭ মিলিয়ন পাউন্ডের বিনিময়ে চুক্তিবদ্ধ হন এই গ্রীষ্মকালীন দলবদলের বাজারে।

গত সপ্তাহে লিভারপুল তাদের প্রাক-মৌসুমের প্রস্তুতি শুরু করে। তারা প্রথম খেলায় প্রিস্টোনের মুখোমুখি হয় যেখানে লিভারপুল ৪-০ ব্যবধানে জয় লাভ করে। এই ম্যাচে দুইজনের খেলাই নজর কাড়ে দলপতি জেরার্ডের।Football - Liverpool FC Preseason Tour 2013 - Indonesia XI v Liverpool FC

লিভারপুলের অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, “এই দুই তরুন অবিশ্বাস্যভাবেই খুব দ্রুত দলে তাদের জায়গা করে নিয়েছে। আর তাদের সংযোজন যে লিভারপুল দলকে শক্তিশালী করেছে তা বলার অপেক্ষা রাখে না। দুইজনই মেধাবী ও কৌশলী খেলোয়াড় যা আপনি স্প্যানিশ খেলোয়াড় থেকে আশা করবেন। বলের উপর তাদের দখল মুগ্ধ করবে আপনাকে।”

তিনি তাদের সতর্ক করে বলেন হয়তো তাদের পক্ষে খুব তাড়াতাড়ি ইংলিশ ফুটবলের জলবায়ূ মানিয়ে নেয়া সম্ভব নয় যা তুলনামূলকভাবে সহজ হবে আরেক নতুন মুখ মিগনোলেট জন্য যিনি আগে ইংলিশ লিগেরই আরেক দল সান্ডারল্যান্ডের গোলরক্ষক ছিলেন এবং কোলও ট্যুরে যিনি ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে খেলেছেন আগে।

তিনি আরো যোগ করেন, “আলবার্তো এবং আসপাস কেমন করে তা দেখার জন্যে আমি মুখিয়ে আছি। কিন্তু এটা একেবারে সহজ হবে না যতটা সহজ ট্যুরে আর মিগনোলেটের জন্য হবে। কারন এই দুইজন স্প্যানিশ লিগ থেকে প্রথম বারের মত ইংলিশ লিগে এসেছে।”

লিভারপুলের দ্বিতীয় প্রস্তুতি ম্যাচ খেলেছে ইন্দোনেশিয়া একাদশের সাথে। লিভারপুলের হয়ে এই মৌসুমে প্রথমবারের মত জেরার্ড প্রথম একাদশে খেলেছেন। জেরার্ড শুধুমাত্র প্রথমার্ধে খেলেছেন। ম্যাচ শেষে তিনি উচ্ছসিত প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এভাবে, “আমি অসম্ভব রকমের ভাল অনুভব করছি।”

এলএফসি টিভিকে দেয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, “দলের এত সমর্থকের সামনে আবারো খেলতে পারাটা অবশ্যই ভাল অনুভূতির।”

তিনি যোগ করেন, “আমি কাঁধে ভাল অনুভব করছি। এটা চমৎকার আমি ৪৫ মিনিট খেলেছি। আশা করছি অস্ট্রেলিয়া সফরে আরো কিছুক্ষন বেশি খেলতে পারব।”

“আমি কয়েক সপ্তাহ অনুশীলনের পর আমার ফিজিশিয়ান আজ খেলার অনুমতি দেয়। খেলতে পেরে অবশ্যই ভাল লাগছে।”

“এই মূহুর্তে দলের ফলাফল নিয়ে চিন্তিত নই। ফিটন্যাস ও ম্যাচ খেলার মত শরীর তৈরী করতেই মনযোগী আমরা। তবে আমরা ম্যাচ জিততে পেরে খুশি এবং পরের ম্যাচের জন্য আত্নবিশ্বাস বাড়িয়ে নিচ্ছি। আশা রাখি শারীরিক দিক থেকে আমরা আরো উন্নতি করব।”

মাঠে সমর্থকদের উপস্থিতি সম্পর্কে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি বলেছেন, “মাঠে সম্ভবত ৬০ হাজার (প্রকৃতপক্ষে ৮৮হাজার) এর মত দর্শক ছিল যা সত্যি অবিশ্বাস্য! পুরো পৃথিবীতে কয়েকটি দেশেই শুধু এমন আছে যারা এভাবে দলকে সমর্থন দিতে পারে। আমরা গর্ববোধ করছি তাদের আকুন্ঠ সমর্থন পেয়ে।”